শীতকালে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শুকনো ফল ও বাদাম উপকারী
শীতকালীন সিজনে দেহের প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি সরবরাহে শুকনো ফল ও বাদাম বিশেষ ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞরা জানান, এসব খাবার সহজে তৃপ্তি দেয় এবং মূল খাবারের মাঝখানে হালকা, স্বাস্থ্যকর নাস্তা হিসাবে খাওয়া যেতে পারে। শুকনো ফলের মধ্যে রয়েছে পিচ, কিসমিস, এপ্রিকট, ডুমুর ও বরই। আর বাদামজাতীয় খাবারের মধ্যে আমন্ড, কাজু ও আখরোট উল্লেখযোগ্য। তবে চিনাবাদাম বাদামের দলে নয়, এটি ডালজাতীয় খাদ্য।
শীতে বেড়েছে জয়েন্টের ব্যথা, সমাধান মিলবে কিভাবে?
দেশজুড়ে পুরোদমে শীত। কোথাও কোথাও তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ার ফলে অনেক মানুষ হাত–পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, জয়েন্ট ব্যথা, পেশিতে টান বা শক্তভাবের সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব উপসর্গ শীতের স্বাভাবিক শরীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়া; তবে যাদের আগে থেকেই আর্থ্রাইটিস, গেঁটেবাত বা স্নায়ুর সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে ব্যথা আরও তীব্র হতে পারে।
শীতে সর্দি-কাশি থেকে সুরক্ষা দেবে যেসব খাবার
শীত শুরুর সাথে সাথেই অনেকের সর্দি-কাশির সমস্যা বাড়ে। চিকিৎসকরা বলছেন, শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোই সর্দি-কাশি এড়ানোর প্রথম শর্ত। আর তা সম্ভব হয় সঠিক খাবার খেলে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন কিছু খাবার আছে যা শীতকালীন সময়ে খাদ্যতালিকায় রাখলে শরীর গরম থাকে, ভাইরাসের সংক্রমণও অনেকাংশে কমে যায়। এসব খাবার শরীরের ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতি পূরণ করে। সেই সঙ্গে তৈরি প্রাকৃতিকভাবে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
আদা : আদায় থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গলা ব্যথা কমায়, ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। সকালে চা-তে বা গরম পানিতে আদা মিশিয়ে খেলে দ্রুত উপকার পাবেন।
মধু : শীতে মহৌষধের মতো কাজ করে মধু। গলার জ্বালা কমানোর সঙ্গে মধু শরীরে উষ্ণতা বাড়ায়, দীর্ঘস্থায়ী কাশিও সারায়।